কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬ এ ১২:১৫ PM
কন্টেন্ট: পাতা
প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার অন্তর্গত দীঘিনালা উপজেলায় মাইনী নদী বিধৌত পাহাড় চূড়ায় দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রি কলেজ ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৬ সালে বিরাজমান পরিস্থিতির কারণে এ কলেজ সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়। তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব কল্প রঞ্জন চাকমা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা ২৯৮নং সংসদীয় আসনের সাংসদ জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (এমপি) এবং তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসবিআই শফিক-উদ-দৌলার আন্তরিক প্রচেষ্টায় দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রি কলেজ ১৯৯৪ সালে পুনরায় চালু হয়। পাশাপাশি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের অবদান নিঃসন্দেহে অনস্বীকার্য। ১৯৮৪ সালে উচ্চ মাধ্যমিক চালু হওয়ার পর ২০০০-২০০১ শিক্ষাবর্ষ থেকে ডিগ্রি (পাস) কোর্স চালু হলে এলাকার গরীব, মেধাবী ও অনগ্রসর ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনার সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং প্রতি বছর কৃতিত্বের সাথে শতশত শিক্ষার্থী পাশ করে যাচ্ছে। সর্বোপরি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার এলাকায় আর্থিক দৈন্যতায় ঝড়ে পড়া ও অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সার্বিক উন্নয়নে যাঁদের নাম সর্বাগ্রে স্মরণীয় তাঁরা হলেন এলাকার কৃতি সন্তান, শিক্ষানুরাগী জনাব কল্প রঞ্জন চাকমা ও জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। যাঁদের কায়িক ও মানসিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে কলেজের পড়াশুনার মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় শতভাগ পাশ করায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সেরা তালিকায় সেরা কলেজ হিসেবে গৌরব অর্জন করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অধ্যক্ষ হিসেবে বিভিন্ন মেয়াদে কর্মরত ছিলেন সর্ব জনাব মনিন্দ্র লাল ত্রিপুরা, সহৃদ চাক্কা, যোগেশ চন্দ্র তংচঙ্গ্যা, লগ্ন কুমার চাকমা।মন্টু বিকাশ চাকমা বর্তমানে জনাব তরুন কান্তি চাকমা অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত আছেন।
তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি সার্বিক দিক দিয়ে কলেজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যে শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ঐতিহ্যবাহী এবং সম্ভাবনাময়ী এ কলেজ খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মধ্যে অন্যতম বিদ্যাপীঠে পরিণত করার জন্য সুদক্ষ পরিচালনা পর্ষদের নির্দেশনায় অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে কার্যক্রম চলছে। ২০১৮ সালে আগস্ট থেকে কলেজটি জাতীয়করণ করা হয়।